বিডি সময় প্রতিবেদক
এগিয়ে আসছে ঈদ। তাই প্রতিটি মানুষ সাধ্য অনুযায়ী ছুটছেন রাজধানীর বিপণি বিতানগুলোতে। উচ্চবিত্ত আর উচ্চ-মধ্যবিত্তদের কাছে ঈদের চাওয়া মানে নানা ডিজাইনের বিদেশী, দামী ও স্বতন্ত্র পোশাক। অন্যদিকে সময় এবং ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঈদের পোশাক কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্য আয়ের ক্রেতাদের।রবিবার রাজধানীর গুলিস্তান, নিউমার্কেট, গাউছিয়া এলাকার বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজানে পরিবারের সদস্যদের কাপড়-চোপড়ের একটু বেশিই। এদিকে যানবাহনের খরচতো রয়েছেই। সবমিলিয়ে এই মাসে সবার খরচটা অন্যান্য মাসের তুলনাই বেশিই। কিন্তু সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় না হওয়ায় অনেকেই বাজারতালিকা সংক্ষিপ্ত করে ফিরছেন বাড়ি।গুলিস্তানের বঙ্গবাজারে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা চাকুরিজীবী সাইফুল সাহেব বিবার্তাকে বলেন, আমাদের অতিরিক্ত আয় বলতে শুধু ঈদ বোনাস। কিন্তু গ্যাস, বিদ্যুৎ-পানির বিল পরিশোধ, বাড়িভাড়া, বাচ্চাদের টিউশনির টাকা পরিশোধসহ নিয়মিত সকল খরচ ছাড়াও এ মাসে রয়েছে ঈদের কেনাকাটা। তাই একটু হিমশিম খেতে হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা জানান, অনেকেই সাধ এবং সাধ্যের সমন্বয় ঘটতে না পেরে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছেন কিন্তু কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। নিউ মার্কেটের এক ব্যাবসায়ী জহির জানান, “অনেক মানুষ পছন্দ অনুযায়ী সব জিনিস কিনতে পারছে না। অনেকেই দাম আগে শুনে কাপড় দেখছেন। তবে যে পরিমাণ বিক্রি হচ্ছে তাতে আমরা খুশি।”এভাবেই পছন্দের পোশাকটি বেছে নিতে বারবার বাজেটের হিসেব করতে হচ্ছে মধ্যম আয়ের মানুষদের। তারপরও, তারা এক – একটা শপিংমল থেকে শুরু করে দেশি বুটিক হাউজগুলোতে ছুটছেন, সাধ ও সাধ্যের মধ্যে নতুন পোষাকের আশায়।




