বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনজঙ্গিদের রুখতে চট্টগ্রাম পাহারা দেবে ১৪ দল

জঙ্গিদের রুখতে চট্টগ্রাম পাহারা দেবে ১৪ দল

জঙ্গিদের রুখতে ১৪ দলের কর্মীদের নিয়ে নগরীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে, থানায় থানায় কমিটি করার ঘোষণা দিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী। সোমবার গুলশান ও শোলাকিয়ায় বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ১৪ দল আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। বিকেলে চট্টগ্রাম শহীদ মিনারের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘জঙ্গি রুখতে আমরা ১৪ দলের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ওয়ার্ডে-থানায় কমিটি তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। কমিটির সদস্যরা লাঠি ও হুঁইশেল হাতে নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় প্রদক্ষিণ করবে। নগরীর ৫০ লাখ লোকের নিরাপত্তায় তারাও এলাকা পাহারা দেবেন। তিনি আরও বলেন, ‘এর পাশপাশি আমরা চক্রান্তকারীদেরও তালিকা তৈরি করবো। পরে সেই তালিকা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

মহিউদ্দিন চৌধুরী মসজিদের ইমামদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা খুতবার সময় মুসল্লীদের সামনে চক্রান্তকারীদের চিত্র তুলে ধরুণ। মুসল্লীদের ইসলামের নামে মানুষ হত্যাকারীদের বিষয়ে ঘৃণা সৃষ্টির করাতে আহ্বান জানান। ছদ্মবেশে ১৪ দলের নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় এসে অনেকেই বিভিন্ন অপরাধ করছে মন্তব্য করে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, তাদের ব্যাপারে সচেষ্ট হোন। তাদের রুখে দিন। টাকার বিনিময়ে তাদের সুযোগ করে দেবেন না, ব্যবসায় তাদের পার্টনার বানাবেন না। ১৪ দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বক্তব্য শুনে ঘরে বসে থাকলে হবে না। আমরা সংকটে পড়েছি। সংঘবদ্ধভাবে তাদের মোকাবেলা করতে হবে। আপনারা মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করে তাদের আপনাদের সঙ্গে নেন।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সভাপতি মোছলেম উদ্দিন, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, খোরশেদ আলম সুজন, ইব্রাহিম হোসেন বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ওয়াশিকা আয়েশা খানম, জাসদ নেতা ইন্দু নন্দন দত্ত, জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মতো জঙ্গিদের সমূলে নির্মূল করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। কোনভাবেই তাদের কাছে মাথা নত করা যাবে না। তারা আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া জঙ্গিদের হয়ে কথা বলে যাচ্ছেন। কিন্তু জঙ্গিদের হাতে নিহত হওয়া মানুষের বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলেন না। তার দলের পক্ষে চাপ থাকা সত্ত্বেও জঙ্গিদের দোসর জামায়াতকে ‘তালাক’ দিতে রাজি নন তিনি। জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করতে চাইলে তাকে আগে জামায়াতকে ত্যাগ করতে হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ