ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকার যান চলাচল পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। কারাফটকের আশে-পাশের এলাকায় সিথিল করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১০ মে দিনগত রাত সোয়া ১২টার পর থেকে স্বাভাবিক যান চলাচল করতে দেখা যায়। তবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে কারারক্ষীরা। পাশাপাশি দায়িত্বে রয়েছে র্যাব-১০ (লালবাগ ক্যাম্প) এর সদস্যরাও। ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন জানান, র্যাব-১০ এর এএসপি রেজাউল করিম। তিনি বলেন, এই মহুর্তে র্যাবের ২৪ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। ফাঁসি কার্যকর শেষ হওয়ার পর নির্দেশনা আসলে তারা কারা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করবেন।
সোমবার রাতে কনডেম সেলে থাকা নিজামীকে তার ফাঁসির চূড়ান্ত রায় পড়ে শোনানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। এখন তার কাছে জানতে চাওয়া হবে, তিনি সর্বশেষ সুযোগ হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি-না। প্রাণভিক্ষা না চাইলে বা চাওয়ার পর আবেদন নাকচ হলে শুরু হবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া। আইন অনুসারে তখন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেকোনো সময় নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ।
নিজামীর করা রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) আবেদন খারিজ করে গত ০৫ মে এ রায় দেন সর্বোচ্চ আদালত। আর সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটায় প্রকাশিত হয় ২২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়। রাতে কারাগার ছাড়াও ওই রায়ের কপি পাঠানো হয় আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকার জেলা প্রশাসকের (ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে। সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ফাঁসি কার্যকরের আদেশ দেবে কারা কর্তৃপক্ষকে। লিখিত ওই চিঠি পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে নিজামীকে।




