১৯৪৮ সালের ০৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় ছাত্রলীগ। কালের পরিক্রমায় নানা চড়াই-উৎরাই পার হয়ে ৬৯ বছরে পা দিচ্ছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির জন্মে সবচেয়ে বেশি আত্মত্যাগীদের এই ছাত্র সংগঠনটি । বায়ান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি, ঊনসত্তরের পথ বেয়ে একাত্তর। জাতির জনকের নেতৃত্বে আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে গৌরবময় সংগ্রামে সংগঠনটির ১৭ হাজার নেতাকর্মী আত্ম বলিদান করেছেন। সাংগঠনিক নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিটি সংগ্রামের অগ্রভাগেও ছিল ছাত্রলীগ। ০৪ জানুয়ারি গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৬৮ বছর পার করছে এশিয়ার প্রাচীন ও বৃহৎ ছাত্র সংগঠনটি।
‘কালের পরিক্রমায় এ সংগঠনটির কিছু ‘নামধারী’ নেতাকর্মী চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েনি তা কিন্তু নয়। এখন আর তাদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না। কোনো অপরাধীর ঠাই হবে না ছাত্রলীগে’- স্পষ্ট বক্তব্য ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হলেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রকৃত অপরাধীকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করেছি। যার কারণে এখন মূলধারার কর্মীদের অপরাধে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা কম। কোথাও কেউ অপরাধে যুক্ত থাকলে আমরা তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেই। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি আমাদের আহ্বান সব সময়ই, অপরাধীর কোনো দল নেই। যে দলেরই পরিচয় দিক, তার বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।




