সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট

খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে অন্য দুই দুর্নীতি মামলার মতো এ মামলারও বিচারিক কার্যক্রম বিচারিক আদালতে চলতে কোনো বাধা থাকলো না। বৃহস্পতিবার বিচারিক আদালতে মামলাটির কার্যক্রম বৈধ বলে উল্লেখ করে এ রায় দেন বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আব্দুর রবের হাইকোর্ট বেঞ্চ।এর আগে গত ৩০ আগস্ট বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। যেকোনো দিন রায় দেওয়া হবে জানিয়ে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান(সিএভি) রাখেন আদালত। পরে মঙ্গলবার প্রকাশিত কার্যতালিকা অনুসারে বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ধার্য হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রধান আসামি খালেদার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ৯ এপ্রিল এ মামলাটির কার্যক্রমের স্থগিতাদেশ আরও ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করেন আদালত।

এরপর থেকে শুরু হওয়া রুল শুনানি ও যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী। দুদকের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন মো. খুরশিদ আলম খান। খালেদার বিরুদ্ধে দায়ের করা তিন দুর্নীতি মামলার মধ্যে অন্য দু’টি নাইকো ও গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম বিচারিক আদালতে চলবে বলে যথাক্রমে গত ১৮ জুন ও ৫ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দুই মামলায়ই রায়ের কপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে খালেদাকে।

বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ নাইকো এবং বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আব্দুর রবের হাইকোর্ট বেঞ্চ গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বিরুদ্ধে করা খালেদার আবেদন ও রুলের রায় দেন। খালেদা জিয়াকে প্রধান আসামি করে করা এসব মামলা হাইকোর্টের আদেশে কয়েক বছর ধরে স্থগিত ছিল। সম্প্রতি মামলাগুলো সচলের উদ্যোগ নিয়ে রুল শুনানির দিন ধার্যের আবেদন জানায় দুদক। এসব মামলায় স্থায়ী জামিনে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ