নগর পুলিশের কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল বলেন,‘একজন উপ পরিদর্শকসহ নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দলের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ডাকাতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখেছি। ইতিমধ্যে ২৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে।’
পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগর গোধূলী ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার জন্য ৬০টি স্বর্ণের বার নিয়ে বের হন হাজারী লেনের স্বর্ণ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ কর্মকার ও নারায়ণ কর্মকার। তারা স্টেশন রোডে পৌঁছালে উপ পরিদর্শক আবুল হোসেনের নেতৃত্বে নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কৃষ্ণ কর্মকারকে আটক করে মারধর শুরু করে। তার কাছ থেকে স্বর্ণের বারগুলো ছিনিয়ে নেয়। পেছন থেকে ভাইকে মারধর করতে দেখে নারায়ণ কর্মকার পালিয়ে যায়।
পরে ঢাকায় না গিয়ে হাজারী লেনে ফিরে আসে দুই ভাই। ছিনতাইয়ের বিষয়টি গোপন সূত্রে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানতে পারলে স্বর্ণ ফিরিয়ে দিতে আবুল হোসেনকে চাপ প্রয়োগ করে তারা। শনিবার সকালে ২৩টি স্বর্ণের বার ফিরিয়ে দেয় আবুল হোসেন। ছিনতাইয়ের সঙ্গে আবুল হোসেনের সঙ্গে নগর গোয়েন্দা পুলিশের দুই কনস্টেবল, পুলিশ সোর্সসহ ১০-১২জন জড়িত বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
কৃষ্ণ কর্মকার ও নারায়ণ কর্মকার কুমিল্লা জেলার অমর কর্মকারের ছেলে। নগরীর কোতোয়ালী থানার হাজারী লেনের মিয়া শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় তাদের পারিবারিক স্বর্ণের কারখানা রয়েছে।




