বিরোধিতার ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করা নিয়ে বিরোধী ছিলাম। ওই সময় খালেদা জিয়া আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন- দুই দিনের মধ্যে সংলাপ না করলে কঠোর আন্দোলন হবে। ‘আমরা যারা ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি- তাদের কাছে এ আল্টিমেটাম মেনে নেওয়া পরাজয় মনে হয়েছিল। তাই আমি খালেদা জিয়াকে ফোন করার বিরোধিতা করেছিলাম।’
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এরপরও দেশের স্বার্থে তাকে (খালেদা জিয়া) ফোন দিয়েছিলেন। আমাদের প্রস্তাব তারা (বিএনপি) গ্রহণ করেন নি। পরবর্তীতে মার্চ ফর ডেমোক্রেসি কর্মসূচি দিয়ে সফল হয়নি বিএনপি। এমনকি নির্বাচন বানচাল করতে এমন কোনো কর্মসূচি নেই যে বিএনপি তা দেয়নি।
৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশ না নেওয়া বিএনপির ভুল উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আপনি (খালেদা জিয়া) ওই সময় নির্বাচন কমিশনার ও আরপিও নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। কিন্তু উনি (খালেদা জিয়া) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শর্ত জুড়ে দেন। এখন আমরা নির্বাচন করেছি, সরকার গঠন করেছি। এ সরকার তার মেয়াদ পূর্ণ করবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ তিনি বলেন, ওইদিনটি (০৫ জানুয়ারি) আমরা গণতন্ত্র রক্ষা দিবস হিসেবে পালন করবো। তবে অন্য রাজনৈতিক দল তাদের আদর্শ অনুযায়ী দিনটিকে অন্যভাবে পালন করতেই পারে। ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করবে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজপথে কেউ আইন হাতে তুলে না নিলে সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলবে। আর আইন হাতে তুলে নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনসহ কার্যকরী পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




