এসময় হানিফ জানান, ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ঢাকাসহ সারাদেশে বিজয় ৠালি করবে। আর বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ ঢাকার ১৬টি স্পটে গণতন্ত্রের বিজয়ে সমাবেশ করবে। এতে কেন্দ্রীয় নেতারা পৃথক পৃথকভাবে অংশ নেবেন। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সারাদেশের জেলা ও উপজেলাগুলোতেও সমাবেশ করবে বলে জানান তিনি।
এছাড়া, ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ যাবতকালের বৃহৎ জনসভা করারও ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের এ মুখপাত্র। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, ৫ জানুয়ারি ও ১০ জানুয়ারির সমাবেশ সফল করতে যৌথসভায় নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৫ জানুয়ারি বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা যেন মাঠে নামতে না পারে সে জন্যই আওয়ামী লীগ রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে সমাবেশ করবে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। ওইদিন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশে থেকে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সর্তক থাকারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যৌথসভায়।
বিএনপি আইনের শাসন মানে না মন্তব্য করে হানিফ বলেন, কে সমাবেশ করবে আর কে সমাবেশ করবে না সে অনুমতি দেবে প্রশাসন। সকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেছেন, তারা ৫ জানুয়ারি সমাবেশ করবেনই। এর মধ্য দিয়ে তারা প্রমাণ করেছেন, তারা আইনের শাসন মানেন না। এ বক্তব্য উস্কানিমূলক। আওয়ামী লীগ এ ধরনের বক্তব্য বরদাশত করবে না। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে অশুভ শক্তির মোকাবেলা করবে।
যৌথসভায় হানিফ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা সাহারা খাতুন, এম এ আজিজ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, বদিউজ্জামান ভুইয়া ডাবলু, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, শাহে আলম মুরাদ ও ঢাকার বিভিন্ন আসনের দলীয় সংসদ সদস্যরা।




