দলের প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবীব-উন নবী খান সোহেল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবীবুর রহমান হাবীব, সাবেক ছাত্র নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, ছাত্র দলের সভাপতি রাজিব আহসান প্রমুখ।
দেশ ভয়াবহ সংকটের মধ্যে পড়েছে দাবি করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমেরিকায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃতুতে লাখ লাখ মানুষ আজ মিছিল করেছে। অথচ শেখ হাসিনার সরকার হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করলেও জনগণ মাঠে নামছে না। আমাদের মাঠে নামতে হবে। নব্য স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিছিল করতে হবে ‘হাসিনা নিপাত যাক, আওয়ামী লীগ নিপাত যাক’। সরকার দুঃস্বপ্নের মধ্যে রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা কথায় কথায় ষড়যন্ত্র দেখতে পায়। আসলে তারা সব সময় দুঃস্বপ্ন দেখে। যে কোনো মুহূর্তে তাদের প্রাসাদ ভেঙে যেতে পারে- এই ভয়ে সব সময় তটস্থ থাকে।
ফখরুল বলেন, ৫ জানুয়ারির ভোটবিহীন নির্বাচনের বরাত দিয়ে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। কিন্তু এ দেশের মানুষ কোনো অবস্থাতেই সেটি হতে দেবে না। মানুষ প্রস্তুত হয়ে আছে। এখন তাদের কাছে যেতে হবে। তাদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েত হবে। সেটিই হবে স্বৈরাচার পতন দিবসের সব চেয়ে বড় শপথ।




