দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজও পশু কারবারিদের দখলে চলে গেছে। সেখানেও চলছে কোরবানি পশু কেনা বেচা। পশুরহাটের কারণে ফ্লাইওভার দিয়ে যানবাহনও সহজে ওঠা নামা করতে পারছে না। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেখা গেছে চার লেন সড়কের মধ্যে দুই লেন পশুহাটে দখল হয়ে যাওয়ার কারণে যাত্রবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড এলাকা পর্যন্ত যানজট। এতে করে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এ সময় কথা হয় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা পণ্যবাহী ট্রাক চালক রনির সঙ্গে। তিনি জানান, ঈদ না আসতেই রাস্তার অর্ধেক হাটের দখলে। কয়েক দিন পরে হাটের জন্য রাস্তা ছেড়ে পালাতে হবে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতশত যানবাহন চলাচল করে।
ঢাকার প্রবেশদ্বারে পশুহাটের কারণে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের যাতায়াতে অসুবিধা হচ্ছে । ঈদকে সামনে রেখে শনির আখড়ার পশুরহাটের কারণে এসব মানুষকে আরো ভোগান্তিতে পড়তে হবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাক চালকেরা।
বুধবার রাতে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের চারদিন বাকি থাকতে যদি এই অবস্থা হয় তবে সামনের পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে। তাই সময় থাকতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন তারা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরে যাতে করে পশুরহাটের বিস্তৃতি না ঘটে সে লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হলেও তোয়াক্কা করছে না হাট কর্তৃপক্ষ। তবে বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবী মোতায়েন করেছে হাট কর্তৃপক্ষ।
শনির আখড়া পশুরহাটের প্রধান ইজারাদার ওসমান গণী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাট বসানো প্রসঙ্গে জানান, এই নিয়ে অনেক ক্যাচাল (ঝামেলা) হয়েছে। মহাসড়ক পরিষ্কার রাখার জন্য আমরা আরো ভলেনটিয়ার (স্বেচ্ছাসেবী) নিয়োগ দিয়েছি। আশা করছি সামনে আর কোনো অসুবিধা হবে না। মহাসড়কে হাটের বিস্তৃতি প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, আমরা আরো সতর্ক হয়েছি। কোরবানির পশুর চাপ থাকায় দুইলেনে সামান্য কয়েকটি গরু আছে। তবে ফ্লাইওভার পরিষ্কার আছে। সব কিছু ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করার জন্য দরকার হয় আমরা আরো কর্মী নিয়োগ দেবো।




