সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনকে তলব করেছে দুদক

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনকে তলব করেছে দুদক

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম নবীসহ ১৩ জনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নোটিশে ২২ সেপ্টেম্বর তাদের দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে দুদকের উপ-পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা যতন কুমার রায় সংশ্লিষ্টদের ঠিকানায় নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি তিনি  নিশ্চিত করেছেন। তলবকৃতদের মধ্যে আছেন- জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম নবী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম-সচিব বিজন কান্তি সরকার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল বারী খান, এ টি এম আতাউর রহমান, সাবেক সদস্য খালেকুজ্জামান, ইকরামুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুলতান আহমেদ, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সহকারী সচিব বেঞ্জামিন হায়দার, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৎকালীন উপ-পরিচালক (বর্তমানে সদস্য) মো. আজহারুল হক, হিসাব সহকারী মো. মতিয়ার রহমান এবং একই প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন ক্যাশিয়ার মনসুর আলম প্রমুখ। এর আগে গত রোববার সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরসহ চারজনকে ২১ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ দিতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, ২০০২ সালের ১৬ জুন থেকে ২০০৬ সালের ১০ অক্টোবরের মধ্যে তৎকালীন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির কোনো প্রকার আবেদনপত্র ছাড়াই ঢাকা শহরে সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পীদের নামে আবাসিক এলাকা স্থাপনের নিমিত্তে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিবের কাছে তা পাঠান। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় আলমগীর কবির গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বরাবর দাখিলকৃত আবেদনপত্রের ওপর সরাসরি ভূমি বরাদ্দের নির্দেশ দেন। তিনি নোটশিটে ঝিলমিল বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের অনুকূলে নকশা করা ভূমি ঢাকা সাংবাদিক সমিতি লিমিটেডের অনুকূলে বরাদ্দ দেন।

পরে বিনা কারণে ঝিলমিল বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের নকশা বাতিলপূর্বক অবৈধভাবে অন্যদের বরাদ্দ দেন। সরকারের ১৮ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের ৭ একর জমি মাত্র ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার টাকায় ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের অনুকূলে ইজারা/লিজ দেওয়ার  মাধ্যমে সরকারের ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকার ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ৬ মার্চ রাজধানীর শাহবাগ থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক যতন কুমার রায়।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ