সচিব বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় করে থাকেন জেলা প্রশাসকরা। এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকদের মুখোমুখি কথা বলার সুযোগ হয়। স্থানীয় জনগণের চাহিদা তুলে ধরার সুযোগ হয়। মন্ত্রী এবং সচিবরা তাদের কথা শুনে সরাসরি পরামর্শ দিতে পারেন। জেলা প্রশাসকরা লিখিতভাবে প্রস্তাব দেন। আমরা সেটা মন্ত্রণালয় ভিত্তিক প্রস্তাবনা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেই। এর বাইরেও জেলা প্রশাসকরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তাব দিতে পারেন।
তিনি বলেন, মন্ত্রী যে প্রস্তাবগুলোর তাৎক্ষণিক জবাব দিতে পারেন সেগুলো দেন। আর যেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করার প্রয়োজন, সেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বাস্তবায়ন করা হয়। সচিব জানান, যে প্রস্তাবগুলো স্বল্পমেয়াদী বা মধ্য মেয়াদী তা এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়। আর এক বছরের বেশি সময় লাগলে তা দীর্ঘ মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জেলা প্রশাসকরা সরকারের প্রতিনিধি, তারা সরকারের পলিসি বাস্তবায়ন করেন। তারা জনপ্রতিনিধি নন, তবে জনগণের সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তারা জনগণের পালস বোঝেন। জেলা প্রশাসকরা সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের দর্শন ও পলিসি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন। যেহেতু তারা স্থানীয়ভাবে থাকেন তাই স্থানীয় জনগণের সুবিধা অসুবিধা তারা সরকারকে জানাতে পারেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জেলা প্রশাসকরা প্রশাসনিক ও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হন এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। এসব তারা জেলা প্রশাসক সম্মেলনে শেয়ার করতে পারেন।
অনুষ্ঠান সূচি
সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পুরাতন সংসদ ভবনের শাপলা হলে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের মুক্ত আলোচনা হবে করবী হলে। মুক্ত আলোচনা চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর প্রথম অধিবেশন সচিবালয়ে শুরু হবে ২টা ৪০ মিনিট থেকে। প্রথম অধিবেশনে শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রথম দিন অধিবেশনের সময় প্রেস ব্রিফিং হবে বেলা ১টা ৪৫ মিনিটে এবং বেলা ৩টা ৫৫ মিনিটে।




