বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়চলতি মেয়াদে ৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

চলতি মেয়াদে ৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর গতি ত্বরান্বিত করতে সরকার চলতি মেয়াদে ৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রকল্প হলো- (১) পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প, (২) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট প্রজেক্ট, (৩) রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত প্ল্যান্ট প্রকল্প, (৪) ঢাকা মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) উন্নয়ন (মেট্টো রেল প্রকল্প) প্রকল্প, (৫) সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর, কক্সবাজার প্রকল্প এবং (৬) এলএনজি টার্মিনাল প্রকল্প। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর এ প্রশ্নের জবাবে সংসদে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের দিকে উন্নত সুসভ্য দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ, ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ১৩ শতাংশে নামিয়ে আনা, ২০২১ সালের মধ্যে দৈনিক ন্যূনতম ২ হাজার ১২২ কিলোক্যালরি পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ উৎপাদন বর্তমানে ১১ হাজার মেগাওয়াট থেকে ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত, বিদু্যত সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর বর্তমান হার ৬২ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ২০২১ সালের মধ্যে সবার বাড়িতে বিদ্যুত পৌঁছানো এবং রাজস্ব আয়ের বর্তমান হার জিডিপি’র ১৪ দশমিক ১ শতাংশ হতে ২০২১ সালে ২০ শতাংশে উন্নীত করা।

তিনি জানান, বিগত পাঁচ বছর অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানব সম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমসহ দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অর্জন সম্ভব হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নে বাংলাদেশের ইতিহাসে মাত্র পাঁচ বছর সময়ে এতো অধিক সংখ্যক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পুরস্কার অর্জনের ঘটনা এর আগে কখনও ঘটেনি।

সামশুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে মানুষ খুন করেছে, সম্পদ ধ্বংস করেছে। তবে জনগণ ভোট দিয়ে আবার আমাদের সরকার গঠনের রায় দিয়েছে এবং এ জন্য এ সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশাও বেশি। আন্দোলনের নামে যে ক্ষতি করা হয়েছে সরকার তা পুষিয়ে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সেদিকে সরকার যথেষ্ট সচেতন। ভোক্তা পর্যায়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মানুষের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ আয় বৃদ্ধি করেছে, দ্রব্যমূল্য কমিয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয়ও আমরা বৃদ্ধি করেছি। বিএনপি আমলে একজন দিনমজুর সারাদিনের আয় দিয়ে ২/৩ কেজি চালও কিনতে পারতো না। এখন একজন দিনমজুর একদিনের রোজগার দিয়ে ৮/৯ কেজি চাল কিনতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ