মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদআরো খবর......১৪১ কোটি টাকা পাচার: সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের ৩...

১৪১ কোটি টাকা পাচার: সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর জুবলী রোড শাখা থেকে সিমেন্টের কাঁচামাল ক্রয়ের ভুয়া বিল-ভাউচার দাখিল করে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট পিএলসি-এর বিরুদ্ধে পৃথক ৩টি মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীকেও আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, জাল কাগজপত্র দেখিয়ে কোনো প্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় না করেই মোট ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করা হয়। এর মধ্যে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে গৃহীত ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে তা বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর ও ইউএই, ইউকে, ইউএসএসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়।

২০ মার্চ ২০১৮ তারিখে ইসলামী ব্যাংক জুবলী রোড শাখার গ্রাহক আরামিট সিমেন্ট পিএলসি-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক ‘ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং’-এর নামে ১টি ডিলের মাধ্যমে ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬ জনের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

৪ এপ্রিল ২০১৮ থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখের মধ্যে আরামিট সিমেন্ট পিএলসি-এর আবেদনের মাধ্যমে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসি, কামাল বাজার শাখার গ্রাহক ‘ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং’-এর নামে ১৭টি ডিলে মোট ৪১ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত ১৬ জনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি অনুমোদিত হয়েছে।

এ ছাড়া ৪২ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ৬ আগস্ট ২০২০ থেকে ২৮ মার্চ ২০২১ মেয়াদের মধ্যে আরামিট সিমেন্ট পিএলসি-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে ইউসিবি পিএলসি, সদরঘাট শাখার গ্রাহক ‘ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং’-এর নামে ৯টি ডিলের মাধ্যমে গ্রাহকের ইকুইটি ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছাড়া অবশিষ্ট ৪২ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০ জনের বিরুদ্ধে তৃতীয় মামলাটির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার অপব্যবহার, জালিয়াতি এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এসব মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ