ষ্টাফ রিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসেই ঘুমানোর সুনাম আছে অনেকেরই । কিন্তু সংসদ অধিবেশন চলাকালীন ঘুমানোর সুযোগ কি আর যে কেউ পায়! এজন্য যে তাকে সংসদ সদস্য হতে হবে। জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ রায় ও তাদের পাহাড় সমান প্রত্যাশার চাপ নিয়েই আপনাকে জাতীয় সংসদে ঢোকার ছাড়পত্র পেতে হবে। প্রত্যাশা আর কাজের ভিড়ে যে কেউ একটু বিশ্রাম নিতেই পারেন, হোক না সেটি জাতীয় সংসদ!
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ৩৮ মিনিটে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এর ঠিক ২ মিনিট পরই ঘুমে ঢলে পড়েন সাবেক স্বরাষ্ট্র এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন।
পাশে কেউ আয়েশ করে ঘুমালে আপনারও একটু ঘুমাতে ইচ্ছে হবে এটাই স্বাভাবিক! কিছুক্ষণ পরে সে কাজটিই করলেন সাবেক ও বর্তমান দুই মন্ত্রী! ‘ঘুমানোর’ দলে যোগ দেন সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান এবং বর্তমান ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীও!
দশম জাতীয় সংসদের আজ দিনটি শুরু হয়েছে এমন ঢিলেঢালাভাবেই। দিনের কার্যসূচিতে শুরুতেই ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হলেও ছিলেন না বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু ও জিয়াউদ্দিন বাবলুসহ জাতীয় পার্টির বেশির ভাগ সাংসদ।
সংসদ সদস্যদের কেউ কেউ যেমন ঘুমিয়েছেন। তেমনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত খবরের কাগজ পড়ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু মুঠোফোনে কথা বলছিলেন। নিজের আসন ছেড়ে কেউ কেউ আবার অন্যের আসনে উঠে গিয়ে গল্পও করেছেন। অল্প কিছুক্ষণ সংসদে বসে থেকে অনেকে উঠে চলেও গেছেন।
নিজের প্রশ্নটি উত্থাপন করেই স্বতন্ত্র সাংসদদের জোটনেতা সেলিমও উঠে গেছেন। সংসদ ছেড়ে চলে গেছেন গায়িকা মমতাজও। সিলেট থেকে নির্বাচিত সাংসদ ইমরান আহমেদ নিজের আসন ছেড়ে গল্প করতে উঠে যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির কাছে।




