বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। লিটার প্রতি ১৫-২০ টাকা হারে বৃদ্ধির পর আজ রোববার থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দাম। এই দাম বৃদ্ধিকে সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন দর নির্ধারণের কথা বলছে। কিন্তু সরবরাহ স্বাবাবিক হবে কি না সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়।

যদিও সরকার তরফ থেকে সরবরাহ কম ‘শব্দটি’ উচ্চারণ করা হচ্ছে না। দাবি করা হচ্ছে পর্যাপ্ত তেল আছে। কিন্তু পেট্রল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারিবদ্ধ হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গাড়িচালকদের।

সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। রাত ১২টা থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা।

দাম বৃদ্ধির পর নতুন দাম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১৫ টাকা হয়েছে, অর্থাৎ লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে, এতে লিটারে ১৮ টাকা বেশি গুনতে হবে ভোক্তাকে। অকটেন ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা হয়েছে, এখানে লিটারে সর্বোচ্চ ২০ টাকা বৃদ্ধি দেখা গেছে। আর পেট্রল ১১৬ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে, যা লিটারে ১৯ টাকা বেশি।

ফলে পরিবহন খরচ, কৃষি উৎপাদন ব্যয় এবং সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ের ব্যয়েও নতুন করে চাপ পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এবং সরবরাহব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম কার্যকর হলেও তেলের সরবরাহ এখন থেকে স্বাভাবিক হবে কি না? সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয় ভোক্তাদের কাছে। আর আজ থেকেই ভোক্তা পর্যায়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং গাড়ি ভাড়াসহ সার্বিকভাবে জীবনমানের ওপর কেমন প্রভাব পড়ে সেটা এখন দেখার বিষয়।

অবশ্য, সরকার গত ১ ফেব্রুয়ারি তেলের দাম নির্ধারণ করেছিল। তখন দাম বাড়ানো হয়নি। এখন সমন্বয় করে বাড়াতে হয়েছে। কারণ, সরকার বিপুল পরিমাণ টাকা ভূর্তকি দিচ্ছে তেলে। ফলে সরকারের কোষাগারে টান পড়ছিল।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ