১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত হবে কিনা-এ ব্যাপারে এখনও কোনো নির্দেশনা আসেনি বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। সোমবার (১২ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ২৫টি মন্ত্রণালয়ের, বেশ কয়েকজন জ্যৈষ্ঠ সচিব ও সচিবরা বৈঠক করেন। এরপর সচিবালয়ে এসে ব্রিফ করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।
পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের বিষয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, আমরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করেছি। আমরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ১৫-১৬ বছরে যেসব বিসিএসের ব্যাচের পদোন্নতি হয়েছে, যারা পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের বিষয়টি আমরা সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করছি। ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা এসব বিষয় সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে। যারা পিএসসি থেকে বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ২৮ থেকে ৪২ ব্যাচের, তাদের বিষয়ও আমরা উপস্থাপন করেছি প্রধান উপদেষ্টার কাছে। আমরা আশা করছি কাল বা পরশুর মধ্যে এ বিষয়ে একটা প্রতিকার নিতে পারব।
চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে তিনি বলেন, মূলত মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তরগুলোকে ফাংশনাল করাটাই হচ্ছে এখনকার মূল কাজ। যে কাজগুলো সচিবালয় পর্যায়ে বা দপ্তর পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা যাবে, সেগুলো যেন নিষ্পত্তি করা হয়।
জনপ্রশাসন সচিব আরও বলেন, অন্যান্য বিষয় যেগুলো আছে, সাত দিনের ভেতরে জরুরি ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেব। যেগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, তার (প্রধান উপদেষ্টা) কাছে আমরা সিদ্ধান্তগুলো চাইব।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত হবে কিনা-এ ব্যাপারে এখনও কোনো নির্দেশনা আসেনি বলেও জানান তিনি।
এর আগে সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় সচিবদের সঙ্গে বৈঠক। প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে সচিবরা বেরিয়ে যান। তবে তখন কেউই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি।
বৈঠক সূত্র মতে এদিন সকাল ১০টা থেকে ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকজন জ্যৈষ্ঠ সচিব ও সচিবরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তবে সকাল সাড়ে ১০টায় সেনাপ্রধান যমুনায় প্রবেশ করেন। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে ১১টা ১৫ মিনিটে বের হয়ে যান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) ড. ইউনূসের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। রাত ৯টা ২১ মিনিটে বঙ্গভবনে শপথ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ এ সরকারের ১৪ সদস্য। তাদের শপথ বাক্যপাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।





