রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
প্রচ্ছদদেশজুড়েহাওয়া ভবন থেকে পাঠানো তালিকায় বিসিএসে চাকরি হতো : প্রধানমন্ত্রী

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে

হাওয়া ভবন থেকে পাঠানো তালিকায় বিসিএসে চাকরি হতো : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় সফরে ৮ থেকে ১০ জুলাই চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদ সম্মেলনের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গবেষণা, শিক্ষা, আইসিটি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি।

শেখ হাসিনা তার এ চীন সফর প্রসঙ্গে বলেন, এ সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক “সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব” পর্যায়ে উন্নীত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আগামী বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্র নীতি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”- এটিকে মূলনীতি হিসেবে ধরে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয়  ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সফলভাবে তার কূটনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা, ফিলিস্তিন সঙ্কট, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, জাতিসংঘ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রই নয়, ঐতিহ্যগত দিক থেকেও এশীয় দেশ হিসেবে আমাদের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের সংযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? তারা দেশ স্বাধীন করার জন্য জীবনপণ লড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় কীভাবে? মুক্তিযুদ্ধ তাদের এখন ভালো লাগে না।

তিনি বলেন, দেখুন, ২৪তম বিসিএস পরীক্ষা হয়েছিল ২০০২ বা ২০০৩ সালে। বিএনপির আমলে সেই সময়ে যত পরীক্ষা হতো, চাকরি হতো, সব হাওয়া ভবন থেকে তালিকা পাঠানো হতো। সেই তালিকা অনুযায়ী চাকরি হতো। ঢাকা কলেজে সেই সময় একটা বিশেষ কামরা রাখা হতো। সেখানে বসে তাদের লোক পরীক্ষা দিতো। তাদেরই চাকরি হতো। কোনো উচ্চবাচ্য সেসব কিন্তু নেই।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রশ্নফাঁস করে নিজেদের লোককে চাকরি দেওয়াটা সেই জিয়ার আমল থেকে শুরু হয়েছিল। খালেদার আমলে সেটা চলেছে। আমরা এটা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি। কোটা বাতিলের পর অনেকে চাকরিতে ঢুকে গেলো। তারা এখন অনেক জায়গায় বসে এসব প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ