বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন শুধু বিএনপির নয়, দেশের ৯০ ভাগ মানুষের। এই দাবি মানতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।
বুদ্ধ পূর্ণিমা উ
পলক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেখা করতে যায়। এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
খালেদা জিয়া অভিযোগ করে বলেন, “আওয়ামী লীগের হাতে মানুষ নিরাপদ নয়। তারা ক্ষমতায় থাকলে দেশের কোনো উন্নয়ন হয় না।”
তত্ত্বাবধায়কের দাবি বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “সরকার কেন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায় না, তা এখন পরিষ্কার। তাদের পক্ষে রায় যাবে না বলে তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে চায় না।”
তিনি আবারও বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না, জনগণ হতে দেবে না।”
সরকার সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য পরিবেশনে বাধা দিচ্ছে অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, “সরকার প্রশাসনকে দলীয়করণ করছে। ভালো সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি করা হয়েছে। একই অবস্থা বিচার বিভাগ, পুলিশ বিভাগেও।”
এই সরকারের হাতে কোনো ধর্মের মানুষ নিরাপদ নয় উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, “তারা দেশের মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চায়। নিজেরা অপকর্ম করে বিরোধীদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করে।”
কক্সবাজারের রামুতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কথা উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “সরকারি দলের লোকজন বৌদ্ধ বিহারে হামলা চালিয়েছে।”
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুকমল বড়ুয়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম মোর্শেদ খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য গৌতম চক্রবর্তী প্রমুখ।




