স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাত জেলার ৩১৫ চরমপন্থি।রোববার (২১ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় র্যাব-১২ সদর দফতরে এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র তুলে আত্মসমর্পণ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেন, আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থিদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথকে মসৃণ করতে সব ভূমিকা পালন করবে সরকার। সেই সঙ্গে আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে স্বাগত। তিনি বলেন, আশির দশকে চলনবিলসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থিদের ঘাঁটি গড়ে ওঠে। নিজেদের আদর্শিক দ্বন্দ্বে এরা নানা নামে বিভক্ত, কিন্তু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এরা সবাই এক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রথম চরমপন্থিদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে উৎসাহিত করে বলে জানান আসাদুজ্জামান।
র্যাবপ্রধান খুরশিদ হাসানের সভাপতিত্বে চরমপন্থিদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেনজির আহম্মেদ এমপি, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, র্যাবপ্রধান খুরশিদ হাসান, র্যাব-১২ অধিনায়ক মারুফ হাসান, সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, বগুড়া ও মেহেরপুর জেলার সর্বহারা ও চরমপন্থি সংগঠনের ৩১৫ জন ২১৯টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। সরকার আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেয়ায় স্বস্তির কথা জানান আত্মসমর্পণকারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।




