স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাথে যৌথ উদ্যোগে দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় তিন বছরের জন্য পাইলট প্রোগ্রামেটিক পার্টনারশীপ প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। ঢাকা, সিলেট ও রাজশাহী জেলার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল এবং কক্সবাজারের টেকনাফে আশ্রয় নেয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও 8টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিচালিত হবে প্রকল্পটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদের মাঝে দুর্যোগ পূর্বাভাস, প্রস্তুতি, প্রতিরোধ, সচেনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর প্রথম বছরেই দুর্যোগপ্রবণ জনপদের প্রায় ১লাখ ৬৫ হাজার ৫শ’ ১৬ জন মানুষকে জরুরী সেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।
সোমবার সকালে রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জাতীয় পর্যায়ে প্রকল্প পরিচিতিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূর-উর-রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আবদুল ওয়াহ্হাব বলেন, ”প্রকল্পটি মানবিক ও স্বাস্থ্য সংকটময় মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদের মানুষকে প্রস্তুত ও প্রতিরোধসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।” কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আতিকুল হক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবীর।
ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ইউরোপিয়ান সিভিল প্রোটেকশন অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান এইড অপারেশনস এর অর্থায়নে, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস এন্ড ক্রিসেন্ট সোসাইটিস (আইএফআরসি), ড্যানিশ রেড ক্রস ও জার্মান রেড ক্রসের সম্মিলিত সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিডিআরসিএস’র ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সদস্য মস্তাক আহমেদ পলাশ, এম. মনজুরুল ইসলাম, রাজিয়া সুলতানা লুনা, অধ্যাপক ড. চৌধুরী সারোয়ার জাহান, মহাসচিব কাজী শফিকুল আযম, উপ-মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম এবং আইএফআরসি’র হেড অব ডেলিগেশন সঞ্জীব কাফলে সহ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকবৃন্দ, পার্টনার সোসাইটি এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।




