জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে আদেশ দেওয়ার জন্য আগামী ৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন, আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে প্রথমে শুনানি শুরু করেন তার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। শুরুতেই তিনি আদালত চত্বরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার বিষয়ে আদালতের কাছে অনুযোগ করেন। পরে খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য যুক্তিগুলো উপস্থাপন করেন।
এর আগে, গত রবিবার শুনানির দিন ধার্য থাকলেও আপিল বিভাগের সব সদস্য শুনবেন বলে বৃহস্পতিবার তারিখ ঠিক করেন প্রধান বিচারতি। হাইকোর্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম জিয়ার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। চেম্বার আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমদ ও জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘মানবিক কারণে জামিন চাচ্ছি।
এদিকে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হয়। পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করেন। এরই মধ্যে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।




