মোবাইল ব্যাংকিং দিয়ে লেনদেনের সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ রবিবার জারি করা নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, এখন মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকরা দিনে আগের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
একইভাবে অ্যাকাউন্টে ক্যাশ ইনের ক্ষেত্রের সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন দিনে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচ বারে ৩০ হাজার টাকা ক্যাশ ইন করতে পারবেন। মাসে ২৫ বারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ক্যাশ ইন করা যাবে।
যা আগে ছিল সর্বোচ্চ ২০ বারে এক লাখ টাকা পর্যন্ত। এর আগে গ্রাহক একটি অ্যাকাউন্টে দিনে দুই বারে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা ক্যাশ ইন করতে পারতেন। এখন গ্রাহক চাইলে একটি অ্যাকাউন্টে দিনে পাঁচ বারে ২৫ হাজার টাকা ক্যাশ আউট এবং মাসে ২০ বারে দেড় লাখ টাকা ক্যাশ আউট করতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অ্যাকাউন্ট রয়েছে ছয় কোটি ৭৫ লাখের মতো। এর মধ্যে শুধু বিকাশেই রয়েছে তিন কোটি ১০ লাখ অ্যাকাউন্ট। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবা ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি লেনদেন সীমা কমিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
এরপর ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ চালু হয়। নগদের প্রতি ট্রানজেকশনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হয়। এককভাবে নগদের এই বাড়তি সুবিধার পর অন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও লেনদেন সীমা বাড়ানোর দাবি করে আসছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববারের সার্কুলারে বলা হয়েছে, একজন গ্রাহক আগের মতোই তার ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা স্থিতি রাখতে পারবেন। কোনো মোবাইল হিসাবে পাঁচ হাজার টাকা এবং তার চেয়ে বেশি নগদ অর্থ জমা বা উত্তোলন করার ক্ষেত্রে গ্রাহককে তার পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড বা তার ফটোকপি এজেন্টকে দেখাতে হবে এবং এজেন্ট গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করবেন।
এজেন্ট গ্রাহকের মোবাইল হিসাবে নগদ অর্থ জমা এবং উত্তোলনের বিবরণ পৃথক পৃথক রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করবেন এবং লিপিবদ্ধ প্রত্যেকটি লেনদেনের বিপরীতে গ্রাহকের স্বাক্ষর বা টিপসই সংরক্ষণ করতে হবে।




