বিচার প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে শেষ না হওয়ায় খালেদা জিয়াকে জামিন না দিয়ে কারাগারে রাখা সম্পূর্ণ সংবিধান পরিপন্থি। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার। শনিবার সকালে, নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে দলটির সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা ও সাজা প্রদানে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি, এর পেছনে প্রতিহিংসা কাজ করেছে। এখন দেশে-বিদেশে বিভিন্ন অধিকার গ্রুপ, মানবাধিকার সংস্থা এমনকি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সরকারগুলোর পক্ষ থেকেও বেগম জিয়ার মামলাকে সাক্ষ্য-প্রমাণহীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করা হয়েছে। বেগম জিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে এক শোচনীয় পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।
জমির উদ্দিন সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বেগম জিয়া আয়েশ করে পায়েস খাচ্ছেন। তিনি অসুস্থতার নামে নাটক করছেন। দেশের একজন বর্ষীয়ান ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদের অসুস্থতা নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের বিদ্রুপ ও রসিকতা করেছেন তা নজিরবিহীন। এধরনের দৃষ্টান্ত সভ্য দেশ ও সমাজে একেবারেই বিরল। বিএনপি চেয়ারপারসনের মুখে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে তিনি স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না, কোনো রকম জাউ খেয়ে জীবন ধারণ করছেন। অথচ সরকার প্রধান থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী ও নেতারা বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে যাচ্ছেন, যা শুধু অমানবিকই নয়, নিষ্ঠুর মনুষ্যত্বহীন মনেরও বহিঃপ্রকাশ।
এ সময় খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার দাবি জানান বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও মুক্তির বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ কী আপনাদের কথা শুনবে সাংবাদিকদের-এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে কীভাবে কথা শোনাতে হয় সে ব্যবস্থা আমরা এক সময় করব। এতো চিন্তা করে লাভ নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্যারোল চাইবো না। তিনি অসুস্থ তার চিকিৎসা দরকার।




