ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেছেন, জন্মস্থান চট্টগ্রাম বলেই আমরা যারা চট্টগ্রামের সন্তান, চট্টগ্রামের জন্য আমাদের আলাদা টান আছে। সরকারি দায়িত্বে থেকে চট্টগ্রামের জন্য কিছু করে যেতে পারলে সেটা হবে বড় প্রাপ্তি। আমরা যারা দায়িত্বে আছি, নিজের এলাকার জন্য আমাদের অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। চট্টগ্রামের জন্য আমি আলাদা করে চিন্তা করি। পাশাপাশি আমার এলাকা আনোয়ারা-কর্ণফুলীর জন্যও আলাদা চিন্তা আছে।
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ‘আনোয়ারা-কর্ণফুলী সমিতি, ঢাকা’র দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সমিতির সভাপতি ব্রি. জেনারেল (অবঃ) মোঃ আইয়ুব আনসারীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক রঘুপতি সেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কম্পট্টোলার এন্ড অডিটর জেনারেল মোঃ মুসলিম চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মূখ্যসচিব মোঃ আবদুল করিম, সমিতির প্রধান উপদেষ্টা রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক, ব্যাংকার দিলীপ দাশ গুপ্ত, সাবেক সভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন, এ টি এম জাফর উল্লাহ চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী, কর্ণফুলী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, বৈরাগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ সোলাইমান, চাতরী ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াছিন হিরু, বারশত ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুম শাহ প্রমূখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেজবান কমিটির আহবায়ক এ কে এম জাহাঙ্গীর চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকার সভাপতি মোঃ আবদুল মোবারক, সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল সরওয়ার জাহান নিজাম, সমিতির উপদেষ্টা অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার নিজাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব এস এম আশরাফুল ইসলাম,জেলা জজ শফিউল আজম, বেক্সিমকোর পরিচালক আফসার উদ্দিন আহমদ
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারা-কর্ণফুলী এখন শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও শিল্পায়ন উন্নয়নের রোল মডেল। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের কাজের মাধ্যমে আমরা নতুন ধাপে প্রবেশ করেছি। এখান দিয়ে এশিয়ান হাইওয়ে হবে। এই এশিয়ান হাইওয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার হয়ে একদিন হয়ত গাড়িতে করে আমরা ব্যাংকক পর্যন্ত পৌঁছে যাব। আগামী ১০ বছরের মধ্যেই হয়ত গাড়িতে করে ব্যাংকক যাওয়া যাবে। এটা হলো ধারাবাহিক সরকারের একটি সফলতা।
তিনি বলেন, “আমরা ধারাবাহিক সরকারের সুফল পাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাচ্ছি। যে যেখানেই কর্মক্ষেত্রে থাকেন, নিজের রুটকে ভুলে গেলে চলবেনা। দেশের সাথে সাথে সবাইকে নিজ নিজ এলাকা নিয়েও ভাবতে হবে এবং কাজ করতে হবে, তাহলেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন হবে।”
সভায় বক্তারা দক্ষিণ চট্টগ্রামে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিন একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয় এবং আনোয়ারায় একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও একটি মহিলা কলেজ স্থাপনের দাবি জানান।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে। অনুষ্ঠানে ঢাকায় বসবাসকারী আনোয়ারা-কর্ণফুলী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মহিদুল ইসলামের সম্পাদনায় দেয়াং নামে একটি স্মরণিকা প্রকাশিত হয়, সাংবাদিক তৌহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ক্লোজআপ তারকা সাব্বির, বিউটি গান পরিবেশন করেন।




