পরিদর্শনের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি শ্রেণিকক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ফুটো ছাউনি, ছোট পরিসরের কক্ষে বসে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করা দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করেন।
এসময় শিক্ষকদের উদ্দেশ্য সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, এ স্কুলেরই এক শিক্ষার্থী আমাকে যেসব অভিযোগ করেছিলো, বাস্তব অবস্থা তো আরও ভয়াবহ। এখানে ওয়াশরুম নেই, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নেই, যে শ্রেণি কক্ষে ক্লাস হচ্ছে তাও নাজুক অবস্থা। আবার ছোট পরিসরের কক্ষের কারণে শিক্ষার্থীদেরকে গাদাগাদি হয়ে বসে ক্লাস করতে হচ্ছে। অনেকগুলো শ্রেণিকক্ষে ফ্যান নেই, লাইট নেই। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করছে। আশাব্যঞ্জক ফলাফল করছে। তিনি এ দুরাবস্থার কথা এতোদিন না বলায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জারেকা বেগমকে ভৎসর্না করেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলেও উল্লেখ করেন।
শ্রেণিকক্ষ সংকট দুরীকরণে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের কথা উল্লেখ করে সিটি মেয়র আরও বলেন, একাডেমিক ভবনের তৃতীয় তলার সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন হবে। তাছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নে এখানে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর অবকাঠামো সংকট থাকবে না। এ লক্ষে সিটি মেয়র চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদকে ভবনের নির্মাণ কাজ তদারকীসহ নির্দিষ্ট সময়ের আগে সম্পন্ন করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এছাড়াও বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকালীন অবস্থায় আপদকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করে ক্লাস চালু রাখা, প্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলোর তালিকা তৈরি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নিদের্শনা প্রদান করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।




