রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাসের চাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনটি বাসের দুই চালক ও দুই হেলপারকে আটক করেছে র্যাব-১। ৩০ জুলাই চারজনকে আটক করার বিষয়টি র্যাবের এক বার্তায় জানানো হয়। র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেমও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ২৯ জুলাই দুপুরে দুর্ঘটনাটির পর রাতভর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়। রোববার দুপুরে হোটেল র্যাডিসনের সামনে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার ঘেঁষে রাস্তার বাঁ-পাশে দাঁড়ানো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একদল শিক্ষার্থীর ওপর উঠে যায় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাস। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রতিবাদে তখন বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে, মিরপুর-আব্দুল্লাহপুর রুটের জাবালে নূরের একাধিক বাস পাল্লাপাল্লি করতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটায়।
প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে, শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনের রাস্তায় মানববন্ধনে দাঁড়াতে গেলে পুলিশের বাধায় তা প্রথমে পণ্ড হয়ে যায়। পরে তারা রাস্তায় এসে বিক্ষোভ করেন।




