সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এহসান-ই-এলাহী, বিআরটিসি পরিচালক (প্রশাসন) হামিদুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে এবার বিআরটিসির ৯০৪টি বাস প্রস্তুত রয়েছে। ৫ জুন থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বিআরটিসি। বাসগুলো আগামী ১৩ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এ বিশেষ সার্ভিস দেবে।
এই বাসগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগর এবং গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে সারাদেশে মোট ৪৭৫টি বাস ছাড়বে। আর দেশের অন্য এলাকা থেকে ৩৭৫টি বাস ঈদের স্পেশাল সার্ভিস দেবে। তবে বাসগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রীর পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া যাতে না নেওয়া হয় সেজন্য বিআরটিসির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একইসঙ্গে বিআরটিসি বাসগুলো যেখানে-সেখানে না থামিয়ে শুধু কাউন্টার থেকে যাত্রীদের উঠানামা করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। এজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিপোতে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের গাফিলতি না করার নির্দেশ দেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি প্রায় বিআরটিসির বাসে উঠে দেখি। বাসের অবস্থা খারাপ। জালানার গ্লাস ভাঙা। অনেক জানালার অর্ধেক আছে, বাকি অর্ধেক নেই। এসব বাস দ্রুত মেরামত করতে বিআরটিসি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন সেতুমন্ত্রী। ঈদে টোলে প্রয়োজনীয় ভাংতি দেওয়ার জন্য বাস-ট্রাকসহ সব গাড়ির ড্রাইভারকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, টোলগুলোতে ভাংতি টাকা না দেওয়ায় অনেক সময় লেগে যায়। এতে যানজটের সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে যাত্রী সেবার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ, পঞ্চগড় এবং যাত্রাবাড়ীতে খুব শিগগিরই তিনটি বিআরটিসি বাস চালু করার পাশাপাশি নতুন করে বিদেশ থেকে ৪শ’ নন এসি এবং ২শ’ এসি বাস ও ৬শ’ ট্রাক আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। এছাড়া একটি প্রকল্পের আওতায় আগামী ৫ বছরে ৩ হাজার ৬শ’ ড্রাইভারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।




