রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে হামলার ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে হামলার ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভের মধ্যে গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসভবনে সংঘটিত হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাতে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত সিন্ডিকেট সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটিকে ক্ষতি নিরূপণ ও দোষীদের চিহ্নিত করে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোসাম্মৎ নীলিমা আকতার, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য এসএম বাহালুল মজনুন, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ।

এর আগে রোববার রাতে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পুলিশের ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে আন্দোলনকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হন। রাত ৪টার দিকে তারা কার্জন হলের দিকে অবস্থান নেন। সোমবার দিনের শুরু হয় ছাত্রলীগের হামলার মধ্য দিয়ে। সকালে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে একটি দল মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ করে। এদের বেশিরভাগই বহিরাগত বলে দাবি করেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তখন আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। এ সময় আন্দোলনকারীরাও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এতে ছাত্রলীগ পিছু হটতে বাধ্য হয়। এতে ছাত্রলীগের এক নেতাসহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

এদিকে ধাওয়া খেয়ে ছাত্রলীগ মধুর ক্যান্টিনে অবস্থান নেয়। তখন আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বেরিয়ে দোয়েল চত্বর এলাকায় অবস্থান নেন। গুলির ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভিসির পদত্যাগের দাবিতে মিছিল করেন। তখন পুলিশ তাদের ফের ধাওয়া দেয়। পরে কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সরকারি আশ্বাস প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ