শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে দুর্দান্ত প্রথম দিন কাটানোর পর দ্বিতীয় দিন সবকটি উইকেট হারিয়ে ৫১৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। দিনের শুরু থেকেই অসাধারণ ব্যাট করা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ হাফসেঞ্চুরি তুলে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে দলীয় ৫’শ রান এনে দিতে অসাধারণ ভূমিকা রাখেন। ১২৯.৫ ওভার খেলে টাইগাররা ৫১৩ রানের সংগ্রহ পায়। ১৩৪ বলে সাতটি চার ও দুটি ছক্কায় ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান সুরাঙ্গা লাকমালের তৃতীয় শিকার হয়ে ব্যক্তিগত ৮ রানে ফেরেন।
ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করতে পারেননি মুমিনুল হক। আজ চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে খেলা শুরুর তৃতীয় ওভারেই আউট হয়ে ফিরে যান তিনি। আগের দিন অপরাজিত ১৭৫ রানের সঙ্গে যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ১ রান। রঙ্গনা হেরাথের বলে কুশল মেন্ডিসের তালুবন্দী হন মুমিনুল। এরপর দ্রুতই আরও ২ উইকেট হারানোয় পাঁচ শ রান তোলার আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু অস্টম উইকেটে মাহমুদউল্লাহ–সানজামুলের ৫৮ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ালেও লক্ষ্য ছোঁয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে দুর্দান্ত প্রথম দিন কাটানোর পর দ্বিতীয় দিন ফের ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। দিনের শুরু থেকেই অসাধারণ ব্যাট করা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ হাফসেঞ্চুরি তুলে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে দলীয় ৫’শ রান এনে দেন।
মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৭ উইকেটে ৪৬৭ রান। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম বলেই টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৫তম ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। অন্যপ্রান্তে ২৪ রান নিয়ে তাঁকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন সানজামুল ইসলাম। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে দ্বিতীয় ওভারেই সান্দাকানের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন সানজামুল (২৪*)। দ্বিতীয় দিন থেকেই স্পিনবান্ধব হয়ে ওঠা উইকেটে তার আগে দারুণ লড়াই করেছেন মাহমুদউল্লাহ–সানজামুল। সকালের সেশনে ৪৩ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে পথভ্রষ্ঠ বাংলাদেশকে পথে ফেরান তাঁরা।
৯৩তম ওভারে হেরাথের বলে শর্ট লেগে ক্যাচ দেন মুমিনুল। ১৬ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ১৭৬ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি। মুমিনুলের পর মোসাদ্দেক হোসেন নেমেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৯৭তম ওভারে সেই হেরাথের বলেই মিডঅনে ক্যাচ দেন মোসাদ্দেক (৮)। মেহেদী হাসান মিরাজ (২০) ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে বল পাঠিয়ে ৩ রান নিতে গিয়ে রানআউট হন।




