প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, সমাজ থেকে মাদকদ্রব্য নির্মূলের জন্য সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন। এজন্য দরকার দল-মত নির্বিশেষ জাতীয় সংলাপ। সংলাপের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করলে ভয়াবহ এ ব্যাধিকে নির্মূল করা সম্ভব হবে। ০২ জানুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণশিক্ষামন্ত্রী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সমাজ থেকে এ অভিশাপ দূর করতে হলে কার ছেলে কার মেয়ে মাদকের সঙ্গে জড়িত তা বিবেচনায় নিলে হবে না। ‘শ্যুট অ্যাট সাইট’র ভিত্তিতে দমন করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এভাবে মাদক নির্মূল হয়েছে। আর না হলে লাখ লাখ লোকবল আর অস্ত্র দিয়ে এটা নির্মূল সম্ভব নয়। কারণ যারা নিয়ন্ত্রণ করবে তারাও এর সঙ্গে জড়িত।’
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত লোকবলসহ অন্যান্য সাপোর্ট পর্যাপ্ত নেই। নেই সহায়ক ব্যবস্থাও। আগে ফেনসিডিল ভয়ঙ্কর ছিল এখন ইয়াবা সর্বনাশা মাদকদ্রব্য। আইন সংশোধন করে ইয়াবা বহনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আনা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। আগামী একবছরে অন্তত ৫০জন গডফাদারকে গ্রেফতার করা হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সদস্য ডা. অরূপ রতন চৌধুরী ও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ইমদাদুল হক, কারা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বক্তব্য দেন।




