মেয়র আনিসুল হকের বাবা ৯০ বছর বয়সী সৈয়দ মাঈনুদ্দীন হোসাইন তার ছোট ভাই সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাসায় রয়েছেন। তাকে এখনও ছেলের মৃত্যুর খবরটি জানানো হয়নি। মেয়রের মা ফাতেমা জোহুরা বেগম মারা গেছেন অনেক আগেই। সকাল থেকেই মেয়রের বাসায় ভিড় করে আছেন আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা। বাসার ভেতরে আপন আত্মীয়রা এবং বাকিরা বাসার বাইরে অবস্থান করছেন। বাসার গেটে রাখা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করছেন সর্বস্তরের মানুষ। প্রথমেই আত্মীয়-স্বজনদের তার মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।
এর আগে ১২টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০০২ ফ্লাইটযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছানোর পর সরাসরি মেয়রের বনানীর ২৩ নম্বর সড়কের ৮০ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়। মেয়রের মরদেহ বিমান থেকে নামিয়ে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটে আনা হয়। সেখানে মেয়রের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সরকারি দলের নেতাকর্মীরা। বিকেল ৩টায় আর্মি স্টেডিয়ামে আনিসুল হককে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন সাধারণ মানুষসহ সর্বস্তরের বিশিষ্ট নাগরিকেরা। শ্রদ্ধা অর্পণ শেষে সেখানেই বাদ আসর নামাজে জানাজার পর বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্বকে।
৩০ নভেম্বর রাতে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন আনিসুল হক। হাসপাতালে তিনি কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস (ভেন্টিলেশন) যন্ত্র দেওয়া অবস্থায় লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস যন্ত্র খুলে নিয়ে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ০১ ডিসেম্বর বাদ জুমা লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আনিসুল হক দীর্ঘ দুই মাস ধরে মস্তিকের রক্তনালীতে প্রদাহজনিত রোগে ভুগছিলেন।




