গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। দিবসটি উপলক্ষে ১০ নভেম্বর সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তানে নূর হোসেন চত্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সকাল ৮টায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দলটির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
সকাল ৯টায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল করিব রিজভীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দলটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সাড়ে ৮টার দিকে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে দলটির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, মোটরচালক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নূর হোসেন চত্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
১৯৮৭ সালের এই দিনে বুকে-পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ স্লোগান লিখে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণ-আন্দোলনে অংশ নিয়ে ঢাকার জিরো পয়েন্টে (বর্তমান শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার) পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নূর হোসেন। তার মৃত্যু স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গতি আনে।
একই দিনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন ছাড়াও নূরুল হুদা ও আমিনুল হুদা নামে আরও দুইজন শহীদ হন। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসক, বর্তমান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।




