বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে যত্রতত্র ব্যবহার না করে সম্মানের সঙ্গে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ০৯ নভেম্বর দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা এই ভাষণটি যত্রতত্র বাজাই, শুনি। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো- এটি যেন আমরা সবখানে না বাজাই। যে ভাষণ বিশ্ব স্বীকৃতি পেয়েছে, আমরা এটিকে সম্মানের সঙ্গে ব্যবহার করবো। যত্রতত্র এর ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ দিবস যেমন- স্বাধীনতা দিবস, শহীদ দিবস, জাতীয় দিবস, ফেব্রুয়ারি মাস, মার্চ মাস, ডিসেম্বর মাসে এবং ক্ষেত্র বিশেষে এটির ব্যবহার করা উচিত। যারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায় জাতিসংঘ তাদের জবাব দিয়েছে উল্লেখ করে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে জিয়াউর রহমানের একটি লেখা রয়েছে। যেখানে তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে স্বাধীনতার গ্রিন সিগন্যাল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এরপরও বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার জন্য বিভ্রান্তি ছড়ায়। জাতিসংঘের স্বীকৃতি তাদের জবাব দিয়েছে।
১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন নিজেরাই নিজেদের প্রতিপক্ষ। কোনো প্রোগ্রাম বিশৃঙ্খলা ছাড়া শেষ করতে পারেনি। চেয়ার ছোড়াছুড়ি, মারামারির কারণে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে বিশৃঙ্খলা করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনটির ঢাবি শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স প্রমুখ। আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন।




