তার সঙ্গে আছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, জেলা বিএনপি সভাপতি শাজাহান চৌধুরী, দলের মৎস বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল। এছাড়া খালেদা জিয়ার সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরাও তার সঙ্গে আছেন।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের মাঝে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ বিতরণ করা হবে। বিতরণের জন্য ত্রাণসামগ্রী আগেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়েছে। কিছু ত্রাণসামগ্রী খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের হাতে তুলে দেবেন। বাকি ত্রাণসামগ্রী সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা শিবিরে পৌঁছানোর আগেই সকালে ১০ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য আনা ৪৫ ট্রাক ত্রাণসামগ্রী সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান।
ত্রাণ হিসেবে প্রতি পরিবার পাবে ১০ কেজি চাল, কয়েক কেজি করে ডাল ও প্রয়োজনীয় কাপড়। ৫ হাজার শিশুকে দুধসহ শিশু খাদ্য ও ৫ হাজার প্রসূতি মাকে গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করা হবে।
ত্রাণ বিতরণ শেষে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর। রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অবস্থান করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন। মঙ্গলবার সকালে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। এর আগে ২৯ অক্টোবর বেলা ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে রওনা দিয়ে রাত ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর কক্সবাজার পৌঁছে।
মিয়ানমারে নির্যাতনের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা দিতে ২৮ অক্টোবর সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ঢাকার গুলশান কার্যালয় থেকে রওনা হন খালেদা। বিকেলে ৫টা ১০ মিনিটে ফেনী সার্কিট হাউজে কিছুক্ষণের যাত্রা বিরতি নেন। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাতযাপন করেন।
খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১২ সালের ১০ নভেম্বর কক্সবাজার রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন। তখন একটি জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন। তখনও ঢাকা থেকে সড়কপথে চট্টগ্রাম এসেছিলেন। সার্কিট হাউসে রাতযাপন করে পরদিন কক্সবাজার গিয়েছিলেন।




