বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে সরকারের কোনো ষড়যন্ত্র কিংবা উদ্দেশ্য নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা সরকার জারি করে না, করেন আদালত। এবারও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালত পরোয়ানা জারি করেছেন। বিএনপি আদালত নিয়ে একেক সময়ে একেক ধরনের কথা বলেন। এ সরকারের আমলে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন।
১০ অক্টোবর দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় মেঘনা টোল প্লাজায় ওজন স্কেল মেশিনের লোড-আনলোড কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এর আগে ০৯ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রোল বোমা হামলার মামলায় আদালত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ান জারি করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, যখন ষোড়শ সংশোধনীর রায় দেওয়া হয় তখন বিএনপি বলে বিচার বিভাগ স্বাধীন। আদালতের কোনো আদেশ বা রায় যখন সরকারের বিরুদ্ধে যায় তখন বিএনপির খুশি রাখার জায়গা থাকে না। যখন কোনো রায় বা আদেশ তাদের (বিএনপি) বিরুদ্ধে যায় তখন তারা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করে। আবার তাদের বিরুদ্ধে যখন রায় বা আদেশ যায় তখন তা সরকারের হস্তক্ষেপ বলে দাবি করে। আদৌ সরকার এসব ব্যাপারে কখনও কোনো হস্তক্ষেপ করে না।
মন্ত্রী বলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক রক্ষায় ওজন স্কেলের নীতিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অতিরিক্ত মালবোঝাই কোনো ট্রাক বা লরি রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না। মালিক-শ্রমিক নেতাদের মন্ত্রণালয়ে ডেকে সরকারের এ কঠোর সিদ্ধান্তের বিষয় জানিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করে। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু এরইমধ্যে রাস্তার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আগামী বছরে এ মহাসড়ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।
‘রাস্তা যদি না থাকে তবে যানবাহন কোথায় চালাবেন, এ বিষয়টি মালিক-শ্রমিকদের অনুধাবন করা উচিত’, বলেও মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হুমায়ন কবির মজুমদার, দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সুমনসহ সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




