ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখা। আগামী সেপ্টেম্বরে এ-অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ। আইনে সংগঠনের বিচারের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান না থাকলেও ট্রাইব্যুনাল নিজের এখতিয়ারে যে কোন শাস্তি দিতে পারেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল হলে তারা আইনী পদ্ধতিতেই তার মোকাবেলা করবেন। আশেকীন প্রিন্সের রিপোর্ট।
জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের মামলায় জামায়াতে ইসলামীকে অপরাধী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর আগেও ট্রাইব্যুনাল থেকে দেয়া বিভিন্ন রায়ে বলা হয়েছে, একাত্তর সালে জামায়াততে ইসলামি রাজনৈতিক দল হিসেবে পাক বাহিনীকে মানবতবিরোধী অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করেছে। এছাড়া গোলাম আযমের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার আবেদন জানানো হয়েছে। আবার এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়ায় জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব। এমন বাস্তবতায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আগামী সেপ্টেম্বরে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হবে বলে জানালেন অন্যতম প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ।
জামায়াতের ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগ দাখিল হলে তারা আইনী প্রক্রিয়া তা মোকাবেলা করবেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিচারের কথা থাকলেও আইনের ২০ ধারায় সংগঠনের শাস্তির বিষয়টি আইনে উল্লেখ নেই। তবে ট্রাইব্যুনাল ন্যায় বিচারের স্বার্থে যে কোন শাস্তি দিতে পারবেন বলে মনে করে প্রসিকিউশন।
এছাড়া ট্রাইব্যুনাল থেকে জামায়াত সম্পর্কে যে সব মন্তব্য করা হয়েছে তাতে জামায়াতের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছিল না বলেও মন্তব্য করেন আব্দুর রাজ্জাক। আদালত জামায়াতের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, তাই তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই বলেও জানান তুরিন আফরোজ।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ও এর আগেও রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের রাজনীতি কয়েকদফা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।




