রাজধানীর বাড্ডায় চার খুনের ঘটনায় ‘মূল পরিকল্পনাকারীসহ’ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট রাতে বাড্ডার আদর্শনগর পানির পাম্পের কাছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি করে অস্ত্রধারীরা। এতে চারজন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ঢাকা উত্তরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামসুদ্দিন মোল্লা (৫৩) ও উত্তর বাড্ডার একটি হাসপাতালের সাবেক কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ ওরফে মানিক (৪০) ওই রাতেই মারা যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ওরফে গামা ও রিকশা গ্যারেজের মালিক, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আবদুস সালাম (৫৫) মারা যান।
এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মাহবুবুরের বাবা মতিউর রহমান ১৪ আগস্ট বাড্ডা থানায় ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান ওরফে গামাই ছিলেন হত্যাকারীদের লক্ষ্য। অন্য তিনজন পরিস্থিতির শিকার। ঝুট ব্যবসা, কোরবানির পশুর হাট ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।




