প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার পরিকল্পনায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। ১৯ এপ্রিল দুপুর সোয়া ২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মামলার এজহারে জয়কে হত্যার পরিকল্পনায় বিএনপির হাই কমান্ড জড়িত রয়েছে; হাই কমান্ড বলতে তারেক রহমান কিনা সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, হাই কমান্ড বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হবে। তবে পরিকল্পনাকারীদের সঙ্গে তারেকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা।
মনিরুল ইসলাম বলেন, রিমান্ডে শফিক রেহমান বৈঠক করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। কিছু নথিপত্রও জব্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, হত্যার পরিকল্পনাকারীরা অর্থের বিনিময়ে রবার্ট লাস্টিক নামে এক সাংবাদিকের কাছ থেকে জয়ের বাসার ঠিকানা, গাড়ি, গাড়ির মডেল ও নম্বর সংগ্রহ করেন।
অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০১২ সালে আমেরিকায় যড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন শফিক রেহমান। সেখানে জাসাস নেতা মহম্মদ উল্লাহ মামুন তার ছেলে সিজারের সঙ্গে বৈঠক করেন এই সাংবাদিক। জয় সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য আমেরিকা থেকে ফেডেক্স কুরিয়ারের মাধ্যমে মাহমুদুর রহমানকে পাঠানো হয়। এমন তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় মাহমুদুর রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। মনিরুল ইসলাম বলেন, এই যড়যন্ত্রে ইতোমধ্যে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে। তবে টাকার উৎস খোঁজা হচ্ছে।




