বিচারপতি শাহিদুর রহমানকে অপসারণ করে এর আগে রাষ্ট্রপতি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিলেন। রাষ্ট্রপতির সেই প্রজ্ঞাপনকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন বিচারপতি শাহিদুর রহমান। রিটের শুনানি শেষে গত বছর হাইকোর্ট শাহিদুর রহমানের অপসারণের আদেশ বহাল রাখেন। হাইকোর্টের সে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যান শাহিদুর রহমান। আপিল বিভাগও হাইকোর্টের আদেশই বহাল রাখেন। এ ছাড়া চলতি বছর অবসরোত্তর সুবিধায় থাকা অবস্থায় হাইকোর্টের বিচারক নজরুল ইসলাম চৌধুরী যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর আইনজীবী হওয়ার পর আচরণবিধি আলোচনা আসে। এরপর গত ১১ ফেব্রুয়ারি আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও বিচারপতিদের আচরণবিধি প্রণয়ন প্রয়োজন বলে সাংবাদিকদের কাছে মতামত দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিচারপতিদের এত শ্রদ্ধা করি যে, এ ধরনের আইনের প্রয়োজন আছে বলে কখনও মনে হয়নি। এটাই স্বতঃসিদ্ধ যে, তারা বিবেক দ্বারা চালিত হবেন। তাদের এটা বলে দেয়ার প্রয়োজন নেই যে, তারা কী আচরণ করবেন।
রায় ঘোষণার ৬ মাসের মধ্যে রায়ের অনুলিপিতে বিচারপতিদের স্বাক্ষর করতে হবে
সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ এক রায়ে বলেছেন, রায় ঘোষণার ৬ মাসের মধ্যে রায়ের অনুলিপিতে বিচারপতিদের স্বাক্ষর করতে হবে। গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দিয়েছিলেন। জামিন জালিয়াতির অভিযোগে হাইকোর্টের সাবেক অতিরিক্ত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের অপসারণ আদেশ বহাল রেখে দেয়া রায়ে সইয়ের এই সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সেই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে বিচারপতিদের ৪০টি আচরণবিধির দেয়া হয়েছে। এই আচরণবিধির ৬ নম্বরে ওই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।



