গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে হরতাল আহ্বান করলেও রাষ্ট্রধর্ম রক্ষার জন্য মাঠে নামেনি জামায়াত ইসলামী। ফলে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় হরতালের কোন চিহ্নই দেখা যাচ্ছেনা। শুধুমাত্র মহাসড়কে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল কিছুটা কম এবং নগরীতে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। এরপরও নাশকতা মোকাবেলায় ২৮ মার্চ ভোর থেকে নগরী এবং ফটিকছড়িতে মোতায়েন করা হয়েছে আট প্লাটুন বিজিবি।
বিজিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক (অপারেশন) লে.কর্ণেল নাসির উদ্দিন একরাম বলেন, নগরীতে ছয় প্লাটুন এবং ফটিকছড়িতে দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গণপরিবহন, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ব্যক্তিগত গাড়িসহ সব ধরনের যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে। দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা প্রায় সবই খোলা দেখা গেছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকেও পণ্যবোঝাই পরিবহন স্বাভাবিকভাবে বের হতে দেখা গেছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল প্রায় স্বাভাবিক থাকলেও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে কিছুটা কম দেখা গেছে।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, শহরে হরতালের কোন প্রভাব নেই। মহাসড়কে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল কিছুটা কম। নগরীতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। হরতালে জামায়াতের নেতাকর্মীদের নগরী কিংবা জেলার কোথাও মিছিল-সমাবেশ, পিকেটিংয়ের খবর পাওয়া যায়নি। নগরীতে সাধারণ বাকলিয়ায় অলিগলিতে ঝটিকা মিছিল করে ছবিসহ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধমে পাঠায় জামায়াত-শিবির। তবে সোমবার বাকলিয়ার কোথাও হরতালের সমর্থনে মিছিল-সমাবেশের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বাকলিয়া থানার ওসি মো. আবুল মনসুর। সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ‘বাদ দেওয়ার চক্রান্তের’ প্রতিবাদে ২৮ মার্চ দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে জামায়াত।




