শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬
প্রচ্ছদদেশজুড়েচট্টগ্রাম বিভাগধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে পার্বত্যাঞ্চলে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে

ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে পার্বত্যাঞ্চলে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে

আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে পার্বত্যাঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ি যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। ১২ মার্চ দুপুরে শহরের সাঙ্গু ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের ২২ কিলোমিটার সড়কের ওভারলে কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি আরও বলেন, যেখানে মানুষ ভয়ে আতঙ্কে যাতায়াত করতো না, সেখানে এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা মানুষের দারগোড়ায় পৌঁছেছে। বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। খুব শিগগিরই বিভিন্ন উপজেলায় কলেজ প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এসব উন্নয়ন কাজ একমাত্র উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থারই ফসল বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পাহাড়ে এখন আর দুর্গম বলতে কিছু নেই। দেশের সবচেয়ে দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া উপজেলা নামে পরিচিত থানচি যেতে এখন মাত্র ২ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায় যাতায়াত সহজ হয়েছে। এতে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাত সমৃদ্ধি লাভ করেছে। পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়দের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী একেএম রফিকুল ইসলাম জানান, বান্দরবান সড়ক বিভাগাধীন ২০১৫-১৬ আর্থিক সালে পি.এম.পি (সড়ক) কর্মসূচির আওতায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে বান্দরবান-কেরানীহাটের ২২.৬৪ কি.মি. সড়ক ও বার আউলিয়া-টংকাবতী এলাকার ১৪.০০ কি.মি সহ মোট ৩৬.৬৪ কি.মি. সড়কের ওভার-লে কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানান তিনি।

এসময় সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী একেএম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ক্য সা প্রু-মার্মা প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ