শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও মানুষের হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল সেবাই একমাত্র সমাধান -...

ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও মানুষের হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল সেবাই একমাত্র সমাধান – ভূমি প্রতিমন্ত্রী জাবেদ

Ctg_Digital_Land_Officeভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল সেবাই একমাত্র সমাধান বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ, রেকর্ড প্রণয়ন ও সংরক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন’কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। দুপুরে ফিতা কেটে মন্ত্রী ডিজিটাল রেকর্ড রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পূন্যব্রত চৌধুরী, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান। সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ইলিয়াস হোসেন।

চট্টগ্রামের ৪০ লাখ খতিয়ান (পর্চা) ডিজিটাল করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হলে ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন সেবার বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেবার মান নিশ্চিত করতে হবে। ইন্টারনেটের স্পিড নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো নির্ধারিত সময়ে খতিয়ান ডেলিভারিতে সমস্যা হবে। এর জন্য লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার। লিডারশিপ দরকার। তিনি বলেন, আমরা যত বেশি বিকেন্দ্রীকরণ করতে পারবো তত বেশি স্বচ্ছতা ও দক্ষতা আসবে। গ্রামের মানুষ খতিয়ানের জন্য ডিসি অফিসে আসার দরকার নেই। ঘরে বসে, ইউনিয়ন অফিসে বসে খতিয়ান পেয়ে যাবে। কমিটমেন্ট থাকলে না পারার কোনো কারণ নেই। আমরা সেবার মান যত বেশি আপডেট করতে পারবো তত বেশি মানুষ কমফোর্ট ফিল করবে। ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, মন্ত্রী মানে শুধু সচিবালয়ে অফিস করা নয়। মন্ত্রী মানে সারা দেশে যাওয়া। টিমের সঙ্গে থাকা। তাদের বোঝানো পাশে আছি, সাথে আছি। এ সাউন্ড দিতে ‍চাই।

জেলা প্রশাসক বলেন, ডিসি অফিসে রেকর্ড রুম হয়রানির এক নম্বর জায়গা। ডিসি অফিসে যত দালাল ঘুরে বেড়ায় তার বেশিরভাগই দেখা যায় রেকর্ড রুমের সামনে। গ্রামের মানুষ তো ডিসি অফিস চেনে না, তারা রেকর্ড রুম কীভাবে চিনবে। এ সুযোগটাই কাজে লাগায় দালালরা। টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ প্রকল্পের লক্ষ্য ৪০ লাখ খতিয়ানকে ডাটা বেজ সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে আবেদনের মাধ্যমে ১০ দিনে স্বল্প খরচে খতিয়ান সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি, দালালের দৌরাত্ম্য বন্ধ ইত্যাদি এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

চট্টগ্রাম জেলার ১ হাজার ৬৪টি মৌজার ৪০ লাখ খতিয়ান সংরক্ষণ করা হবে। ২১৩টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে আবেদন নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ৫২ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৪০ জন ডাটা এন্ট্রি করবেন, দিনে ৪ হাজার খতিয়ান। পরে এটি ২০ হাজারে উন্নীত করা হবে। এক বছরে ডাটা এন্ট্রির কাজ শেষ হবে। স্কাউট ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ডাটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত করা হবে।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ