ভারতের লোকসভায় সীমান্ত বিল পাস হওয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের যত বড় বড় অর্জন এসেছে, সবই আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সময়ে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্তব্য করেন, ভারতের সঙ্গে উচ্চ মাত্রার সম্পর্কের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। সূত্র জানায়, বৈঠকে একটি টিম করে ভারতে গিয়ে বিল পাসের জন্য লোকসভাসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানানোর প্রস্তাব করা হয়। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী তিন বাঙালি কন্যাকে সম্বর্ধনার প্রস্তাবও তোলা হয়।
সূত্র জানায়, ভারতের লোকসভায় সীমান্ত বিল পাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সম্পর্কের মাত্রা উচ্চ হওয়াতেই এই বিল পাস হয়েছে এবং চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে। আমি খুবই আনন্দিত, কারণ আমার বাবার সময় এই চুক্তি হয়েছে, তিনি এই চুক্তি করেছিরেন। আমার সময় এটা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিএনপি এতো দিন মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিকে গোলামী চুক্তি বলে এসেছে। এখন তারা কি বলবে। এটা তো সম অধিকারের ভিত্তিতেই বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। না বুঝেই তারা গোলামী চুক্তি বলতো। অনেকেই তো ক্ষমতায় ছিলো, কিন্তু কেউ তো এটা বাস্তায়ন করতে পারেনি। গোলামী চুক্তি বলেছে, বাতিলও তো করতে পারেনি। আমাদের দেশের কিছু কিছু মিডিয়াও এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেনি। লোকসভায় বিল পাশ হওয়ার পরও তারা খুব একটা বড় কাভারেজ দেয়নি।
সূত্র জানায়, এসব বিষয়ে আলোচনার সময় বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ একটি দৈনিকে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি উপ-সম্পাদকীয় নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই পত্রিকা আমি পড়ি না। এ সময় তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, লেখাটি ইতিবাচক। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সিট মহলবাসীদের যার যে যোগ্যতা আছে, যে সুবিধা দরকার- বিশেষ করে নিরাপত্তা, রাস্তা, স্কুল কলেজ, আইডি কার্ড, কাজের ক্ষেত্রসহ সার্বিক বিষয়ে সহযোগিতা দেয়ার জোরালো নির্দেশ দেন।
এদিকে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের তিন বাঙালি নারী রুশনারা আলী, টিউলিপ ও রুপা হক নির্বাচিত হওয়ায় তাদেরকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপ নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন মন্ত্রীরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। ব্রিটেনেও এখন বাংলাদেশের নারীরা নির্বাচিত হচ্ছেন। ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টে বিজয়ী এই তিনজনকে সম্বর্ধনা দিয়ে সম্মানিত করার প্রস্তাবও করেছেন কেউ কেউ।




