আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে বের হয়ে গেছেন বিএনপির দফতরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ। বুধবার সকালে হাসপাতাল সূত্র হাসপাতালে তার না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে ওই সূত্র এর বেশী কিছু জানাতে পারেনি। তিনি কখন বের হয়ে গেছেন, না কেউ তাকে নিয়ে গেছে এমনটাও কেউ বলতে পারছে না। রিজভী আহমেদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বারবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। তার পরিবারও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না বলে জানা গেছে। তার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাকে ডিবি পুলিশ আটক করে। পরে তাকে নানা নাটকীয়তার পর রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশের পক্ষে রিজভী আহমেদ আটক নন বলেও দাবি করা হয়। রাতে আটক হওয়ার আগে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ৫ জানুয়ারির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
তিনি বলেন, আমরা ভয়ঙ্কর আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। বিএনপি নেতাকর্মীদের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কয়েক দিন ধরে কার্যালয় কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিএনপি অফিসের প্রবেশপথের প্রধান গেট ভেঙে কারা যেন ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। এতে অফিসের কর্মরত সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। শুধু বিএনপি অফিসই নয়, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। বিএনপির এ যুগ্ম মহাসচিব বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দিকে নজর রাখতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।




