৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বর্ষপূতির দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ ঘোষণা করে রাজধানীর নয়াপল্টনে সমাবেশের পাশাপাশি সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি নেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। ঢাকার সমাবেশে যোগ দিয়ে নিজে সরকার পতনের এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেন জোট নেত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
ঘোষিত কর্মসূচির একদিন আগে ৩ জানুয়ারি রাত ১১টা ৪০ মিনিট থেকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান নেন খালেদা জিয়া। সেখান থেকে রাতেই বের হয়ে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিলে তাকে যেতে দেয়নি পুলিশ। এরপর থেকেই গুলশান কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন খালেদা জিয়া। আর তার কার্যালয় ঘিরে রেখেছে পুলিশ। খালেদা জিয়াকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘অবরুদ্ধ’ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি।
অন্যদিকে ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগ রাজধানীর ১৬টি স্পটসহ সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজয় র্যালি ও সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়। এ অনুযায়ী সোমবার সকাল থেকেই রাজধানীজুড়ে অবস্থান নেন সরকারি দলের নেতাকর্মীরা। পাল্টাপাল্টি এ কর্মসূচির কারণে রাজধানীতে রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুলিশ (ডিএমপি)।




