এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মুখপাত্র ডা. ইফতেখার আমীন জানান, দুপুর ১২টায় তারা কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। গতকাল নার্সরা ওষুধ সরবরাহের কক্ষ তালা দিয়ে দেয় এবং চিকিৎসকদের লক্ষ্য করে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়। এতে সেখানে এখন আর কোনো কাজের পরিবেশ নেই। ‘ইন্টার্ন চিকিৎসক রকিবুল ইসলাম সুজনকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া উচিত। অপরদিকে নার্স বকুল রানী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার করেছেন। মিথ্যাচারের জন্য তার বিচার দাবি করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।’ এই দুই দাবিতেই ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুপুর ১২টা থেকে কর্মবিরতি পালন করছে বলে জানান ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মুখপাত্র ডা. ইফতেখার আমীন।
তিনি আরো জানান, কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দিলীপ কুমার ধর ও সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মিটফোর্ড পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জাকির হোসেনের কক্ষে সভায় আছেন। সভা শেষে তারা পরবর্তী কর্মসূচি জানাবেন। তবে দুপুরে কোতয়ালি থানার ওসি কে এম ফিরোজ জানান, নার্স নেতৃবৃন্দ তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। পরে তারা দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। কিন্তু ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।এ ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জাকির হোসেন জানান, তিনি সভায় আছেন। পরে কথা বলবেন।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত গাইনি বিভাগের সিনিয়র নার্স বকুল রানীকে ইন্টার্নি চিকিৎসকদের রুমে নিয়ে গিয়ে মারধর করেন ইন্টার্নি চিকিৎসক রকিবুল ইসলাম সুজন। ওই চিকিৎসক বকুল রানীর শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ করেছেন নার্সরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার দুপুর দুইটা থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন হাসপাতালের নার্সরা। পরে অভিযুক্ত চিকিৎসক রকিবুল ইসলাম সুজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনরত নার্সরা অভিযুক্ত চিকিৎসকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি করে আন্দোলন চালিয়ে যান।




