তিনি বলেন, ঈদের পর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে চাপ সৃষ্টি করে নির্দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে হবে। আর এ লক্ষেই আমাদের আন্দোলন হবে। তিনি বলেন, জনগণ এ সরকারের সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে উঠবেই। কেন না এখন দেশবাসী খুব বিপদে আছে, তাদের রক্ষা করতে হবে এই আমাদেরই।
তিনি বলেন, দেশের অবস্থা এখন খুবই খারাপ। খারাপ কারণ প্রতিদিন যেভাবে গুম,খুন হচ্ছে তা চলতে পারে না। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর তাই ঈদের পরই হবে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ রক্ষার আন্দোলন। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর এতে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটির পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মুর্ত্তোজা।
এ ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটির পার্টির মহাসচিব আলমগীর মজুমদার, খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মওলানা ইসাহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. ইব্রাহিম বীর প্রতীক, এপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন মিলু, বাংলাদেশ ম্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানী, লেবার পার্টর চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় পার্টি (জাফর) কাজী জাফর, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ, মুসলিম লীগ সভাপতি এ এইচ এম কামরুজ্জামন খান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মবিন, পিপলস লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট গরীবে নেওয়াজ, ডিএল সাধারণ সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের সাধারণ কমরেড সাঈদ আহমেদ, জামায়েত কর্মপরিষদ সদস্য ড. সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।




