সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের যোগদানের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই গণঅভ্যুত্থান হলে এ যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি হয়েছে সাবেক মেয়র মনজুর আলম-কে নিয়ে। বিএনপির সাবেক এই নেতার এনসিপিতে যোগদানের গুঞ্জন কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে। যদিও তিনি নিজে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি এবং এনসিপির পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অন্তত ৫০০ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এনসিপিতে যোগ দেবেন। চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ।
দলটির অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, মনজুর আলমের যোগদান নিয়ে আলোচনা থাকলেও অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে মনজুর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, “আমার বয়স হয়েছে, শরীরও ভালো যাচ্ছে না। নতুন করে আর কোনো রাজনীতিতে জড়াতে চাই না।” এনসিপির পক্ষ থেকে যোগাযোগের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন। তার ভাষায়, “দলটির কারও সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই। তাদের কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।” অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মনে হয় না।”
এদিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে বিভিন্ন পর্যায়ের পাঁচ শতাধিক মানুষ দলে যোগ দেবেন। মনজুর আলমের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “দ্রুতই জানতে পারবেন কারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।”




