সৈয়দ হাবিব হাসনাত পটিয়া উপজেলার উত্তর দিয়া গ্রামের মিয়া বাড়ির এক সম্মানিত মুসলিম পরিবারে ১৯৬৩ সালের ১১ই জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম সৈয়দ আবুল হাসান এবং মাতা রওশন আরা বেগম। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তিনি ১৯৮৬ সালে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্বনামধন্য বেসরকারি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গুলশান ক্লাব, বনানী ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, পূর্বাচল ক্লাব, অল কমিউনিটি ক্লাব, গলফ ক্লাব, গুলশান সোসাইটি সহ অসংখ্য সামাজিক ও সুশীল সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা পটিয়া সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক পটিয়া গড়তে এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ নির্মাণে তাঁর ভূমিকা অনন্য। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ইতিবাচকভাবে প্রতিফলিত হয়েছেন। পটিয়ার মানুষ মনে করেন, সৈয়দ হাবিব হাসনাতের মতো সৎ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি রাজনীতির সাথে যুক্ত হলে পটিয়ার মানুষ বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা করতে পারে।
অনেকে মনে করেন, তিনি পটিয়ায় বিএনপি থেকে র্নিবাচন করলে মানূষ বেশী উপকৃত হবেন এবং পটিয়া বিএনপির অর্ন্তকোন্দল দূর হবে। ইতিমধ্যে পটিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে এ নিয়ে সরব আলোচনা চলছে। ফেইসবুকে বিভিন্ন মহল থেকে পোষ্টারসহ হাবিব হাসনাতকে এমপি হিসেবে দেখতে চেয়ে পোষ্ট করছেন সেগুলো আবার শত শত মানুষ শেয়ার করছেন।

পটিয়া বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, সাবেক দুবারের এমপি গাজী মো. শাহজাহান জুয়েল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা এনামুল হক এর নেতৃত্বে পৃথক তিনটি পক্ষ সক্রিয় রয়েছে। তবে পটিয়ার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়ন ঘুরে ও খবরাখবর নিয়ে জানা গেছে পটিয়ার প্রতিটি ইউনিয়ন শিক্ষিত মার্জিত ভদ্রা শান্তশিষ্ট বেশিরভাগ নেতাকর্মী দীর্ঘদিন যাবৎ দলে নিঃক্রিয় হয়ে আছে কোন গ্রুপিং এ যাচ্ছেনা এবং তাদের কথা পরিষ্কার আমরা কোন গ্রুপ করিনা আমরা জাতীয়তাবাদী দলকে ভালোবাসি তাই বিএনপি করি। এই প্রতিক্রিয়া দলের হাই কমান্ডের প্রতিনিধিরা নিয়মিত ফলোআপ করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির সূত্র জানা যায়, পটিয়া বিএনপিতে চলছে দলীয় কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের রাজনীতি। নিজ নিজ পক্ষে ব্যানার ফেস্টুনে ছড়িয়ে গেছে পটিয়া আরকান হাইওয়ে রোড। দীর্ঘদিন ধরে তিন ভাগে বিভক্ত রয়েছে। সম্প্রতি এই কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে এবং এর আগে পটিয়া বিএনপির কয়েকজন নেতাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শোকজ করা হয়। পাল্টা-পাল্টি অভিযোগের পর অবশেষে তা আবার কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে সমাধান আসে।
বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, দলের দূর্সময়ে হাবিব হাসনাতের যতেষ্ট অবদান রয়েছে । বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান তার ব্যাপারে চিন্তা করছেন তাকে কিভাবে মূল্যয়ন করা যায়। পটিয়া থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে দলীয় কোন্দল যেমন ঠেকানো যাবে তেমনি পটিয়ার সর্বস্থারের মানুষের সমর্থন পাওয়া যাবে।
সৈয়দ হাবিব হাসনাত বলেন, নির্বাচন করার ব্যাপারে এলাকার লোকজনের প্রচুর চাপ রয়েছে। বর্তমানে পটিয়া একেবারেই অভিবাবকহীন এমতাবস্থায় পটিয়ার জন্য, পটিয়ার মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেরও ভাল লাগবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। বেকারত্ব দূর করা, বিশেষ করে পটিয়ায় ব্যাংকের শত শত কর্মী এখন বেকার। তাদের কিভাবে পুনর্বাসন করা যায় সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সেই চিন্তা আমার রয়েছে। তরুণ ও যুব সমাজকে মাদকের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করা মধ্যে দিয়ে পটিয়াকে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বিএনপি থেকে নির্বাচন করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি জনমানুষের দল। আমার চিন্তা চেতনার সাথে বিএনপির লক্ষ-উদ্দেশ্য একেবারেই মিলে যায়। স্বনির্ভর ও আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের রাষ্ট্রনায়ক, তারুণ্যের অহংকার, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এখন সময়ের দাবি এবং জাতির গভীর আকাঙ্ক্ষা। তার নেতৃত্বেই গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি পূর্বের মত সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা, ত্যাগ, মেধা ও শক্তি দিতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। দল যদি মনোনয়ন দেয় অবশ্যই নির্বাচন করব। দলীয় হাইকমান্ডের সাথে আলাপ হয়েছে এবং এলাকায় কাজ করে যাওয়ার র্নিদেশনা দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় স্বার্থে কাজ করতে হবে- এই ব্রত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।। আমি পটিয়ার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে নিবেদিত করতে চাই। দল সুযোগ দিলে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করতে পারব। কেননা পটিয়া হাজার হাজার ছাত্র জনতা তরুণসমাজ আমার সাথে রয়েছে আগামীর পটিয়া বির্নিমানের লক্ষ্যে।